নিজস্ব
প্রতিবেদক
দেশের
পেঁয়াজের বাজারের লাগাম টেনে ধরতে সীমিত পরিসরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়
সরকার। প্রতিদিন দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি ইস্যু করা হয়। গত ৭ আগস্ট থেকে আজ
১২ আগস্ট অর্থ আজ শুক্রবার পর্যন্ত ৬ দিনে মোট ৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি ইস্যু
করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) সংশ্লিষ্ট উইং।
আমদানি
অনুমতির সপ্তাহ পেরুতে চললেও পেঁয়াজের দাম এখনো চড়া। পেঁয়াজের দাম এখনো শতকের অনেক
উপরে। ফলে দাম ক্রেতার নাগালের মধ্যে আনতে কৃষি মন্ত্রণালয় আইপি ইস্যু চারগুণ বাড়িয়ে
দিয়েছে। এতোদিন প্রতিদিন যেখানে ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি
ইস্যু করতো, আগামীকাল শনিবার থেকে তা চারগুণ বাড়িয়ে ৬ হাজার টনের আইপি ইস্যু করবে।
প্রতিদিন ২০০টি প্রতিষ্ঠান এই পেঁয়াজ আমদানির আইপি পাবে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ
৩০ টনের আইপি দেবে ডিএই।
শুক্রবার
কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আইপি আবদেনের বিষয় পূর্বের ন্যায় বলবৎ
থাকবে। অর্থাৎ ০১ আগস্ট ২০২৫ থেকে যে সকল আমদানিকারক আমদানি অনুমতির জন্য আবেদন করেছেন
তারাই কেবল আবেদন পুনরায় দাখিল করতে পারবেন। একজন আমদানিকারক একবারের জন্য আবেদনের
সুযোগ পাবেন। পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত
থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বাজারে
দাম সহনীয় রাখতে সরকার গত ৭ ডিসেম্বর পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া শুরু করে। এদিকে
আমদানি হলেও বাজারে তেমন ভূমিকা রাখতে পারছে না ভারতীয় পেঁয়াজ। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা
বাজারে মানভেদে ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজের
দাম বেশি থাকায় দেশি পেঁয়াজও আগের দরে ফিরেছে। পুরোনো প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি
হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। আর বাজারে নতুন আসা মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে
১২০ টাকা কেজি দরে। এ অবস্থায় বাজার ক্রেতাসাধারণের হাতের নাগালে রাখতে সরকার পেঁয়াজ
আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিল।
মন্তব্য করুন